মোহাম্মদ হোসাইন:
কক্সবাজারের উখিয়ায় ইয়াবা পাচারের সময় দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাদের কাছ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—কক্সবাজার জেলার উখিয়া থানাধীন আনজুমানপাড়া গ্রামের মৃত বশির আহমেদের ছেলে মো. নুর ইসলাম (২৫) এবং এফডিএমএন ক্যাম্প-১৫-এর বাসিন্দা মৃত হাচানের ছেলে মো. হারেস (২০)।
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেন উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার ভোর আনুমানিক ৫টা ১০ মিনিটে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি)-এর অধীনস্থ পালংখালী বিওপির বিশেষ টহল দল সীমান্তবর্তী আনজুমানপাড়া পানির পয়েন্টের উত্তর পাশে বাবুলের ঘেরের দক্ষিণ পাশের বেড়ির ওপর দিয়ে মিয়ানমার থেকে দুই ব্যক্তিকে ব্যাগ হাতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে দেখে সন্দেহ করে।
এ সময় বিজিবির টহল দল তাদের চ্যালেঞ্জ করলে তারা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করে। পরে বিজিবি সদস্যরা তাদের আটক করতে সক্ষম হন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—মো. নুর ইসলাম (২৫), পিতা—মৃত বশির আহমেদ, মাতা—মৃত লালমতি, গ্রাম—আনজুমানপাড়া এবং মো. হারেস (২০), পিতা—মৃত হাচান, মাতা—হামিদা বেগম, এফডিএমএন ক্যাম্প-১৫, ব্লক-এ/৭। তাদের উভয়ের ডাকঘর বালুখালী, থানা উখিয়া ও জেলা কক্সবাজার।
পরবর্তীতে আটক ব্যক্তিদের তল্লাশি করে তাদের হাতে থাকা পলিব্যাগের ভেতরে খাকি রঙের প্যাকেটে মোড়ানো নীল রঙের ১৪ কার্টন, মোট ১ লাখ ৪০ হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা বিজিবিকে জানায়, তারা মিয়ানমার সীমান্ত থেকে ইয়াবা সংগ্রহ করে অধিক দামে বিক্রির উদ্দেশ্যে বহন করছিল।
উখিয়া ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. জহিরুল ইসলাম জানান, মাদক সরবরাহকারী ও এর সঙ্গে জড়িত চোরাকারবারিদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
তিনি বলেন, বিজিবি শুধু সীমান্ত পাহারায় নয়, চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধেও দৃঢ় অবস্থানে রয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
উল্লেখ্য, কক্সবাজার রিজিয়নের রামু সেক্টরের অধীনে দায়িত্ব পালনকারী উখিয়া ব্যাটালিয়ন (৬৪ বিজিবি) দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি মাদকসহ বিভিন্ন ধরনের অবৈধ কার্যক্রম দমনে অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ