দৌলতপুরের মুন্না ফকির: বিএনপির ত্যাগ, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক রাজনীতির এক পরিচিত মুখ
মোহন আলী স্টাফ রিপোর্টার কুষ্টিয়া জেলা।
কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার পিয়ারপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান মোঃ মুন্না ফকির। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী কৃষক দল, কুষ্টিয়া জেলা শাখার একজন সক্রিয় সদস্য। দৌলতপুর ও পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির রাজনীতিতে তিনি একজন ত্যাগী, পরিশ্রমী ও আদর্শবান নেতা হিসেবে সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের মাঝে পরিচিত।
দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাজপথে সক্রিয় থাকায় বিদায়ী আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়তে হয়েছে এই নেতাকে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও প্রশাসনের একাংশের মদদে তার বিরুদ্ধে একাধিক মিথ্যা, বানোয়াট ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের করা হয়। শুধু মামলাই নয়, বিএনপির আদর্শ বুকে ধারণ করার অপরাধে দলটির স্থানীয়, দোসরদের হাতে একাধিকবার নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তিনি।
স্থানীয় নেতাকর্মীরা জানান, শত জুলুম, নির্যাতন আর মামলার বেড়াজালও মুন্না ফকিরকে তার রাজনৈতিক আদর্শ থেকে বিচ্যুত করতে পারেনি। দলের প্রতি চরম বিশ্বস্ততা ও ত্যাগ স্বীকার করে তিনি পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সবসময় গতিশীল রেখেছেন।
সবশেষ, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের আন্দোলনেও মুন্না ফকিরের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত কঠোর ও প্রশংসনীয়। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সম্মুখ সমরে রাজপথে থেকে আন্দোলনের সফলতায় অবদান রেখেছেন তিনি।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেন, মুন্না ফকিরের মতো ত্যাগী ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীরাই দলের আসল শক্তি। শত নির্যাতন সহ্য করেও তিনি যেভাবে কুষ্টিয়া জেলা কৃষক দল এবং পিয়ারপুর ইউনিয়ন বিএনপির হাল ধরে রেখেছেন, তা সত্যিই অনুকরণীয়।
ফ্যাসিবাদী সরকারের পতনের পর বর্তমানে তিনি এলাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। তৃণমূলের নেতাকর্মীরা আশা প্রকাশ করেন, আগামী দিনে দলের যেকোনো ক্রান্তিলগ্নে মুন্না ফকির অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন এবং দল তার এই ত্যাগের যথাযথ মূল্যায়ন করবে।
এ জাতীয় আরো খবর..