নিউজ ডেক্স : কয়েকদিন পর পূর্বে (আমার কার্যালয়ে) পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে আসে নওগাঁ সরকারি কলেজের মাস্টার্সের এক ভুক্তভোগী ছাত্রী। তিনি পুলিশ সুপার কে জানায় যে, ১৬ -০৮-২৬ তারিখে মেস থেকে সে টিউশনের উদ্দ্যেশ্যে বের হয়। এটীম মাঠের গলি পথ দিয়ে জনৈক ইমরুল কায়েসের বাসার সামনে পৌঁছালে পিছন থেকে অজ্ঞাত এক মোটরসাইকেল আরোহী ভুক্তভোগী কে ব্যাড টাচ করে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পুলিশ সুপার ভুক্তভোগীর কথা শুনে দ্রুত জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁকে দ্রুত আসামি সনাক্ত করে গ্রেফতারের নির্দেশনা দেন। জেলা গোয়েন্দা শাখা নওগাঁ এর একটা টীম গত পাঁচ দিন যাবত তথ্য প্রযুক্তি ও এ.আই ক্যামেরা ডাটা বিশ্লেষণ করে অজ্ঞাত নামা আসামি ও তার মোটরসাইকেল সনাক্ত করে। পরে নওগাঁ ও বগুড়ার আদমদিঘী অভিযান পরিচালনা করে আদমদিঘী থানার শান্তাহার থেকে আসামি গ্রেফতার করে। আসামির নাম ১। কাজী আব্দুল্লাহ @ ফুয়াদ(২২) পিতা নজরুল ইসলাম, মাতা কাকলী ইসলাম সাং শান্তাহার জনকলোনী থানা আদমদিঘী। ব্যাড টাচে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটিও আটক করা হয়। পরবর্তীতে অভিযোগকারী ও আসামিকে শনাক্ত করে। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে পুলিশ সুপার বলেন সড়কে বা যে কোন স্থানে নারী ও শিশুর বিরুদ্ধে যে কোন ধরনের সহিংসতা অথবা যৌন হয়রানি জেলা পুলিশ কঠোরভাবে আইন অনুযায়ী দমন করবে।
দৈনিক চেতনার কন্ঠ